আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ বিজয়ী হলে স্বৈরাচারমুক্ত দেশে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেটের আলীয়া মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত এক বিশাল জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, গত ১৬ বছরে উন্নয়নের নামে দেশের জনগণের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। যারা মানুষের বাকস্বাধীনতা ও ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, তারাই ইলিয়াস আলীর মতো অসংখ্য মানুষকে হত্যা ও গুম করেছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা এখনও থেমে নেই। দেশ ও বিদেশে বসে তারা নানা চক্রান্ত করছে। এ বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। দেশের মানুষ আগেও ঐক্যবদ্ধভাবে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছে, ভবিষ্যতেও তা পারবে।
লাখো মানুষের এই আন্দোলন-সংগ্রামে ২০২৪ সালে হাজারো মানুষ জীবন দিয়েছেন উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ২০২৪ সালের গণতন্ত্রকামী জনগণই একাত্তরের অর্জিত স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্বাধীনতা পুনরায় সুরক্ষিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ’ কর্মসূচির অর্ধেক ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন হয়েছে। দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে। এখন ধানের শীষকে বিজয়ী করার মধ্য দিয়েই গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু হবে।
নারীদের ক্ষমতায়নের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকারই নারীদের বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিল। ভবিষ্যতে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে মা–বোনদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করা হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি সভামঞ্চে উঠেন। জনসভায় তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ বিজয়ী হলে স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশে গণতন্ত্রের নতুন অধ্যায় সূচিত হবে।
এ সময় উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি জানতে চান, ধানের শীষকে বিজয়ী করা যাবে কি না—জবাবে সবাই হাত নেড়ে সম্মতি জানান। উত্তরে তারেক রহমান বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ।’
তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে মা–বোনদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা হবে। সিলেট অঞ্চলের বহু মানুষ বিদেশে যান—তাদের জন্য প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
