দেখে নিন ব্যথা কমানোর উপায়গুলো। ছবি: সংগৃহীত
শীত মৌসুমে অনেকেরই হাঁটু, কোমর, ঘাড়সহ বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথা বেড়ে যায়। ঠান্ডা আবহাওয়ায় রক্তসঞ্চালন কিছুটা কমে যায় এবং পেশি ও জয়েন্ট শক্ত হয়ে পড়ায় এ সমস্যা দেখা দেয়। এ সময় ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিছু বিষয়ে সচেতন হলে আরাম পাওয়া সম্ভব।
শীতকালে জয়েন্টের ব্যথা বাড়লে করণীয়—
শরীর উষ্ণ রাখুন: শীতের দিনে গরম পোশাক পরুন। বিশেষ করে হাঁটু, কোমর ও ঘাড় ঢেকে রাখার দিকে বাড়তি নজর দিন। রাতে কাঁথা বা কম্বল ব্যবহার করলে শরীরের তাপমাত্রা বজায় থাকে।
সেঁক নেওয়ার অভ্যাস করুন: দিনে দুই থেকে তিনবার গরম পানির ব্যাগ বা উষ্ণ তোয়ালে দিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট সেঁক দিলে ব্যথা অনেকটাই কমে।
হালকা ব্যায়াম চালু রাখুন: নিয়মিত হাঁটা, স্ট্রেচিং বা হালকা যোগব্যায়াম জয়েন্টকে সক্রিয় রাখে। তবে ব্যথা বেশি থাকলে ভারী ব্যায়াম এড়িয়ে চলাই ভালো।
কুসুম গরম পানিতে গোসল: সকালে বা রাতে কুসুম গরম পানিতে গোসল করলে পেশি শিথিল হয় এবং ব্যথা প্রশমিত হতে সাহায্য করে।
পুষ্টিকর খাবার খান: খাদ্যতালিকায় ভিটামিন ডি, ক্যালসিয়াম ও ওমেগা–৩ সমৃদ্ধ খাবার রাখুন। ডিম, মাছ, দুধ ও বাদাম এ ক্ষেত্রে উপকারী। শীতেও পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি, কারণ পানিশূন্যতা ব্যথা বাড়াতে পারে।
এক ভঙ্গিতে দীর্ঘ সময় থাকবেন না: দীর্ঘক্ষণ বসে বা দাঁড়িয়ে কাজ করলে মাঝেমধ্যে অবস্থান পরিবর্তন করুন। অফিসে বসে কাজ করা ব্যক্তিদের জন্য এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন: অতিরিক্ত ওজন হাঁটু ও কোমরের ওপর চাপ বাড়ায়, ফলে ব্যথা তীব্র হতে পারে।
চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন: ব্যথা যদি দীর্ঘদিন স্থায়ী হয়, জয়েন্ট ফুলে যায় বা চলাফেরায় সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
সচেতনতা ও নিয়ম মেনে চললে শীতকালেও জয়েন্টের ব্যথা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
