প্রথম সেশনের দাপট ধরে রেখে দ্বিতীয় সেশনেও আধিপত্য বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। স্পিনের ঘূর্ণিতেই কুপোকাত হয়েছে শ্রীলঙ্কা। মধ্যাহ্নবিরতির পর মাত্র ১৪ ওভার টিকতে পেরেছে লঙ্কান ব্যাটাররা। তাদের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে গেছে ৪৫৮ রানে। ফলে টাইগাররা পেয়েছে ২১১ রানের বড় লিড।
দ্বিতীয় সেশনের দ্বিতীয় ওভারেই সোনাল দিনুশাকে ফেরান নাঈম হাসান। তিনি ১৬ বলে ১১ রান করে আউট হন। এরপর থারিন্দু রত্নায়াককে উইকেটে থিতু হতে দেননি তাইজুল ইসলাম। তিনি ২০ বলে ১০ রান করে এনামুল হক বিজয়-এর হাতে ক্যাচ দেন।
তবে সবচেয়ে হতাশ করলেন কুশাল মেন্ডিস। সেঞ্চুরির পথে ছিলেন, কিন্তু দুই রান নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে যান। তার আগে তিনি খেলেন ৮৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। সেই ওভারের পঞ্চম বলেই আসিথা ফার্নান্দোকে ফিরিয়ে লঙ্কানদের ইনিংসের ইতি টানেন তাইজুল। সঙ্গে সঙ্গে পূর্ণ করেন তার ফাইফার।
দ্বিতীয় দিনের হতাশা ঝেড়ে ফেলে তৃতীয় দিনে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। কলম্বোর মাঠে টাইগার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে কোনো সুযোগই পায়নি লঙ্কানরা। দিনের ষষ্ঠ ওভারেই তাইজুল ইসলাম প্রথম ব্রেকথ্রু এনে দেন। দেড়শ ছাড়ানো এবং ডাবল সেঞ্চুরির দিকে এগোতে থাকা পাথুম নিশাঙ্কা-কে কাবু করেন বাঁহাতি এই স্পিনার। ২৫৪ বল খেলে ১৯ চারসহ ১৫৮ রান করা নিশাঙ্কা এনামুল হক বিজয়ের হাতে ক্যাচ দেন।
পরের ওভারে আবারো লঙ্কান শিবিরে আঘাত হানেন তাইজুল। এবার ফেরান দলপতি ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা-কে। তিনি ১০ বলে ৭ রান করেই সাজঘরে ফেরেন। আগেরদিন নাইটওয়াচম্যান হিসেবে নামা প্রবাথ জয়সুরিয়া-কে থামিয়ে দেন আগুনে গতি নিয়ে আসা নাহিদ রানা। তিনি ৩৯ বলে ১০ রান করে আউট হন।
এরপর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন কামিন্দু ও কুশাল মেন্ডিস। দুই মেন্ডিস মিলে গড়েন ৪৯ রানের জুটি। তবে ৩৩ রান করা কামিন্দু মেন্ডিস-কে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙেন নাঈম হাসান। দিনুশাকে নিয়ে এরপর প্রথম সেশনের বাকি সময় কাটিয়ে দেন কুশাল মেন্ডিস।
এর আগে তৃতীয় দিনের শুরুতে শ্রীলঙ্কা ২ উইকেটে ২৯০ রান নিয়ে মাঠে নামে। তবে বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণের কাছে লঙ্কানরা আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি।
