বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলার হামজা চৌধুরী এখন দেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে নতুন এক আশার নাম। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দল লেস্টার সিটির এই মিডফিল্ডার শুধু মাঠের পারফরম্যান্সেই নয়, আয় ও প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও তুলে ধরেছেন অনুকরণীয় এক দৃষ্টান্ত।
সম্প্রতি জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া জানান, দেশের হয়ে খেললেও অর্থনৈতিক প্রাপ্তি খুবই কম; ফুটবলারদের আয়ের মূল উৎস ক্লাব ফুটবল। তার এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ফুটবলপ্রেমীদের কৌতূহল বেড়ে যায় ইউরোপের বড় লিগে খেলা খেলোয়াড়দের আয় নিয়ে। সেই কৌতূহলের জবাব এবার দিয়েছে ফুটবল অর্থনীতি ও বাণিজ্যবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান Capology।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ইংলিশ ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডে ধারে খেলতে গিয়ে মাত্র ১২৪ দিনে হামজা চৌধুরী আয় করেছেন ৭ লাখ ৩৪ হাজার ৫৭৬ ইউরো, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ কোটি ২৬ লাখ ৭৯ হাজার টাকা!
সাপ্তাহিক আয়: ৪১,৪৭৩ ইউরো ≈ ৫৭,৯৭,০০০ টাকা
দৈনিক আয়: ৫,৯২৪ ইউরো ≈ ৮,২৮,০০০ টাকা
Capology আরও জানিয়েছে, ২০২৪-২৫ মৌসুমে শেফিল্ড ইউনাইটেডের সর্বোচ্চ বেতনভোগী খেলোয়াড়দের একজন ছিলেন হামজা চৌধুরী। তার সঙ্গে একই বেতন পান চিলির স্ট্রাইকার বেন ব্রেরেটন দিয়াজ এবং ইংল্যান্ডের রিয়ান ব্রুস্টার।
চুক্তির মেয়াদ শেষে হামজা ইতোমধ্যেই ফিরেছেন তার মূল ক্লাব লেস্টার সিটিতে, যেখানে তার আরও দুই বছরের চুক্তি বাকি রয়েছে।
বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য এটি এক বড় অনুপ্রেরণা। হামজা চৌধুরীর এই অর্জন প্রমাণ করে, দেশের শিকড় থেকে উঠে আসা প্রতিভারাও বিশ্বের সেরা মঞ্চে নিজেকে তুলে ধরতে পারেন।
