ছবি সংগৃহীত
বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় নতুন অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে একই সঙ্গে অসাধু চক্রের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ লেনদেন না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ইতালীয় সরকারের ‘ফ্লুসি ডিক্রি’ কর্মসূচির আওতায় ৮ বছর বন্ধ থাকার পর ২০২২ সালে বাংলাদেশি নাগরিকরা আবার অন্তর্ভুক্ত হয়। এর পর থেকে মৌসুমি ও অ-মৌসুমি খাতে কর্মী নিয়োগে ভিসা আবেদনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জমে থাকা প্রায় ৪০ হাজার আবেদনের মধ্যে ইতিমধ্যে ৮ হাজার নিষ্পত্তি হয়েছে। গত বছরের ২২ অক্টোবরের পর যাদের ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু হয়েছে, তারা কোনো সমস্যায় না পড়েই ভিসা পাচ্ছেন।
তবে জাল ওয়ার্ক পারমিট ও নকল নথি জমা দেওয়ার কারণে কিছু আবেদন যাচাইয়ে সময় লাগছে এবং ইতালিতে ফৌজদারি তদন্তও চলছে। সরকার জানিয়েছে, ভিসার জন্য কেবল সরকারি ফি দিতে হয়, অতিরিক্ত অর্থ দিলে ভিসা বাতিলসহ আইনগত জটিলতা হতে পারে।
ভিসা প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে ইতালীয় দূতাবাস জনবল বাড়িয়েছে এবং ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে এসে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। এ ছাড়া, গত ৬ মে দুই দেশের মধ্যে অভিবাসনসংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা বৈধভাবে দক্ষ কর্মী পাঠানোর সুযোগ তৈরি করেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিসা প্রত্যাশীদের ধৈর্য ধরতে এবং নেতিবাচক প্রচার থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ জানিয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কর্মী নিয়োগের সম্ভাবনা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
