সিলেট-আখাউড়া রেলপথের কুলাউড়া উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের লংলা রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় প্রচণ্ড তাপদাহের কারণে রেললাইনে হঠাৎ করে বিকৃতি দেখা দেয়। এ পরিস্থিতির কারণে মঙ্গলবার (২৭ মে) বিকেল ৩টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ওই এলাকায় এসে থেমে যায়।
তবে ট্রেনচালকের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত ও অভিজ্ঞতার কারণে একটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।
ঘটনার বিস্তারিত সূত্রে জানা যায়, ট্রেনটি কুলাউড়ার দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় নর্তন সৈয়দবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে চালকের চোখে পড়ে যে রেললাইনটি সামনে বাঁকা হয়ে গেছে। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি দ্রুত ইমারজেন্সি ব্রেক প্রয়োগ করে ট্রেনটি থামিয়ে দেন। পরে রেলওয়ের কর্মীরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং পানি ও অন্যান্য সরঞ্জামের মাধ্যমে রেললাইন ঠান্ডা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপর ট্রেন চলাচল আবারও স্বাভাবিক হয় এবং পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি সিলেটের পথে রওনা দেয়।
কুলাউড়া রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার রোমান আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিকেলে অতিরিক্ত গরমের কারণে লংলা এলাকায় রেললাইন বিকৃত হয়ে যায়, ফলে সিলেটগামী একটি ট্রেন আটকে পড়ে। রেলকর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপে রেললাইন স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়।
তিনি আরও জানান, পরে বিকেল পাঁচটার পর ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনটি ২০ কিলোমিটার গতিতে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে ওই রুটের রেললাইনে মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলমান রয়েছে।
