শিরোনাম

একটার পর একটা অর্থ কেলেঙ্কারিতে জড়াচ্ছেন এনসিপির নেতা-কর্মী

: আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২০২৫-০৭-১৪
ছবি- সংগৃহীত

 

সাম্প্রতিক সময়ে একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা ইমামুর রশিদ ইমনকে এক নারীর কাছ থেকে ৭ লাখ টাকা গ্রহণ করতে দেখা যায়।
ভিডিওতে ওই নারীকে বলতে শোনা যায়, “এখানে সাত লাখ টাকা। ১০ লাখ থাকার কথা ছিল ভাইয়া। একটু ক্রাইসিসটা বুঝেন না!”
এ সময় ইমন জিজ্ঞেস করেন, “ভাইকে বলছেন?”
নারী জবাবে বলেন, “হ্যাঁ, বলেছি।”

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নতুন করে গঠিত হয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তারা বলেছিল—একটি দুর্নীতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়বে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, এনসিপির ভেতরেই দুর্নীতি, চাঁদাবাজি আর প্রতারণার ঘটনা একের পর এক সামনে আসছে।

এখন পর্যন্ত যেসব কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে বা যাদেরকে নিয়ে বিতর্ক হয়েছে, তা নিচে দেওয়া হলো:

১. গাজী সালাউদ্দিন তানভীর (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক)
জেলা প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে বাণিজ্য ও বই প্রকাশ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ।
তাকে দল সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে।

২. তারিকুল ইসলাম (দিনাজপুরের নেতা)
ট্রাক থেকে জোর করে টাকা তোলার অভিযোগে সেনাবাহিনী তাকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

৩. শহিদুল ইসলাম সোহেল (বান্দরবান জেলা সমন্বয়ক)
দুই লাখ টাকার বেশি চেক প্রতারণার অভিযোগে আদালত তাকে ৩ মাসের সাজা দেয়।

৪. ছয়জন কেন্দ্রীয় নেতা
মানুষের কাছ থেকে অনুদান নিয়ে বিলাসবহুল কক্সবাজার ভ্রমণ করেছেন।
এতে দলের ভেতরে এবং বাইরে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়।

জনমনে প্রশ্ন:

এখন অনেক মানুষ বলছেন—“নির্বাচনের আগেই যদি এমন হয়, তাহলে ক্ষমতায় গেলে তো এরা দেশ শেষ করে দেবে।”
এনসিপির স্বপ্ন ছিল ভিন্ন কিছু করার, কিন্তু তারা কি আদৌ সেটা পারছে? না কি আগের দলগুলোর মতোই একই পথে হাঁটছে?

error: Content is protected !!