ছবি সংগৃহীত
বাঙালির প্রিয় খাবার ভাত। অনেকে এটিকে ‘কমফোর্ট ফুড’ বলেও মনে করেন। তবে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে গিয়ে অনেকেই ভাত খাওয়া একেবারে বাদ দিয়ে দিচ্ছেন। বিকল্প হিসেবে বেছে নিচ্ছেন ডালিয়া বা কিনোয়ার মতো খাবার।
তবে পুষ্টিবিদরা বলছেন, ডায়েট থেকে পুরোপুরি ভাত বাদ না দিয়েও ওজন কমানো সম্ভব—শুধু জানতে হবে সঠিক পদ্ধতি।
কীভাবে ভাত খেয়েও ওজন কমানো সম্ভব?
১. পরিমিত পরিমাণে খাওয়া:
ভাত খাওয়ার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ‘পোর্শন কন্ট্রোল’। এক বেলায় এক কাপের বেশি ভাত খাওয়া উচিত নয়। ভাত অতিরিক্ত খেলেই শরীরে কার্বোহাইড্রেট ও ক্যালরি বাড়ে, যা ওজন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
২. প্রোটিনের সঙ্গে ভাত:
ভাতে মূলত কার্বোহাইড্রেট থাকে, তাই এর সঙ্গে প্রোটিন যুক্ত করলে তা শরীরের বিপাকক্রিয়া বাড়ায় এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। মাছ, মাংস, ডিম, ডাল, পনির বা সয়াবিনের মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত ভাতের সঙ্গে।
৩. শাক-সবজির গুরুত্ব:
ভাতের সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে শাক-সবজি খেলে ফাইবার ও খনিজ উপাদান শরীরে প্রবেশ করে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। সবজি পেট ভরিয়ে রাখে, ফলে বেশি ভাত খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।
অর্থাৎ, ভাত পুরোপুরি ছাড়ার দরকার নেই। পরিমাণ বুঝে এবং সুষম খাদ্য তালিকা মেনে খেলে ভাত খেয়েও ওজন কমানো সম্ভব।
সংক্ষিপ্ত পরামর্শ:
এক বেলায় এক কাপ ভাতই যথেষ্ট।
প্রতিদিনের খাবারে প্রোটিন ও সবজি রাখুন।
অতিরিক্ত ভাজাভুজি ও ফাস্টফুড এড়িয়ে চলুন।
এই অভ্যাসগুলো মেনে চললেই ভাত খাওয়ার আনন্দ বজায় রেখেও সুস্থভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
