নৈতিক শিক্ষার উন্নয়নে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ বিবেচনায়: শিক্ষামন্ত্রী

: বালাগঞ্জের আওয়াজ
প্রকাশ: ২০২৬-০৩-১৫

সারাদেশে নৈতিক শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার শুধু ইসলাম শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সব ধর্মের নৈতিক শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ ও মানবিক গুণাবলি বিকাশে প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি নির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় আনতে সরকার একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে, যা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করবে।

সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে মোট ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিবর্তে বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও গবেষণার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করাকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তবে প্রয়োজন দেখা দিলে যাচাই-বাছাই করে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এমপিওভুক্তির বিষয়ে তিনি জানান, সরকার আবারও আবেদন গ্রহণের উদ্যোগ নেবে এবং দীর্ঘদিন ধরে জমা থাকা পুরোনো আবেদনগুলো নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম)-এর সভাপতিত্বে বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এই অধিবেশন চলবে। অধিবেশনের শুরুতে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর মোট ৫০ ঘণ্টা আলোচনা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং এর অংশ হিসেবে রোববার থেকেই ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনা শুরু হয়েছে।

error: Content is protected !!