রোববার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, অতীতে অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনগুলোর তুলনায় এবারের নির্বাচনী পরিবেশ অনেক বেশি শান্তিপূর্ণ ও ইতিবাচক।
তিনি জানান, নির্বাচনকে ঘিরে যে ধরনের শঙ্কা ছিল, তা সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় অনেকটাই দূর করা সম্ভব হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) একটি গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব হতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি বলেন, তিন দিন সময় লাগার কোনো সম্ভাবনা নেই। আধুনিক অটোমেশন পদ্ধতি ও একাধিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) মধ্যেই অধিকাংশ ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে। তবে দুর্গম কিছু এলাকার কারণে সীমিত সংখ্যক কেন্দ্রে সামান্য বিলম্ব হতে পারে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি জানান, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ১১ থেকে ১২ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করবে এবং রিটার্নিং কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে পুরো নির্বাচন পরিচালিত হবে।
নির্বাচনের দিন পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করতে প্রতিটি আসনে একাধিক মনিটরিং টিম দায়িত্ব পালন করবে বলে জানান ইসি। প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর এসব টিম কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলে তথ্য পাঠাবে। যেসব কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সুবিধা রয়েছে, সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে একটি বিশেষ ‘ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং সেল’ সক্রিয়ভাবে কাজ করবে বলেও জানান নির্বাচন কমিশনার।