শিরোনাম

হঠাৎ সিলেটে সালাহউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক অঙ্গনে জল্পনা-কল্পনা তুঙ্গে

: বালাগঞ্জের আওয়াজ
প্রকাশ: ২০২৫-১০-১১

সিলেটে হঠাৎ উপস্থিত হয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তার এই আকস্মিক সফর ঘিরে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস।

শনিবার (১১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা থেকে তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

জানা গেছে, ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সিলেটের তামাবিল সীমান্তে সালাহউদ্দিন আহমেদের গুম হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি ডকুমেন্টারি নির্মাণ করছেন তিনি। সেই ডকুমেন্টারির শুটিংয়ের কাজেই তার এ সফর। শুটিং শেষে তিনি ঢাকায় ফিরে যাবেন বলেও জানা গেছে।

এদিকে সালাহউদ্দিন আহমেদকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে ভিড় করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতারা। উপস্থিত ছিলেন— বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমেদ চৌধুরী, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, কেন্দ্রীয় সদস্য আবুল কাহের শামীমসহ আরও অনেকে।

সালাহউদ্দিন আহমেদের এই সফর ঘিরে সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি শুধুমাত্র একটি ‘সৌজন্য সফর’ নয়; বরং আসন্ন জাতীয় রাজনীতি ও সাংগঠনিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই দেখা যেতে পারে। বিশেষ করে বিএনপির তৃণমূল পুনর্গঠন ও ভবিষ্যৎ আন্দোলনের রূপরেখা তৈরির বিষয়ে কোনো বার্তা বা দিকনির্দেশনা দিতে এসেছেন— এমন ধারণাও করা হচ্ছে।

সিলেটে আগমনের উদ্দেশ্য জানতে চাইলে সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, “২০১৫ সালে তামাবিল সীমান্তে গুমের ঘটনায় একটি ডকুমেন্টারি নির্মাণ করতেই তিনি সিলেটে এসেছেন। শুটিং শেষে আবার ঢাকায় ফিরে যাবেন।” নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোনো বৈঠক বা আলোচনা হবে কি না— এমন প্রশ্নে তিনি জানান, “এই ধরনের কোনো প্রোগ্রাম নেই।

 

error: Content is protected !!