ছবি সংগৃহীত
চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদরা নিয়মিতই পরামর্শ দেন কম তেলে রান্না করার জন্য। কারণ লিভার সুস্থ রাখা, ওজন নিয়ন্ত্রণ, কোলেস্টেরল কমানো কিংবা হৃদযন্ত্রের সুরক্ষায় এই অভ্যাস অত্যন্ত কার্যকর। তবে যারা ভোজনরসিক, তাদের জন্য হঠাৎ করে কম তেলে রান্না শুরু করা সহজ নয়। কিন্তু সুখবর হলো—অল্প তেল ব্যবহার করেও সুস্বাদু খাবার তৈরি করা সম্ভব! বর্তমানে অনেকেই ধীরে ধীরে এই স্বাস্থ্যকর অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন।
আপনিও চাইলে চেষ্টা করে দেখতে পারেন, সুস্বাদু খাবারের স্বাদ অটুট রেখেই কম তেলে রান্না করা সম্ভব। নিচে জানুন কম তেলে রান্নার নয়টি কার্যকর কৌশল—
তেল মেপে ব্যবহার করুন:
বোতল থেকে সরাসরি তেল না ঢেলে চামচে মেপে ব্যবহার করুন। চাইলে স্প্রে বোতল বা ব্রাশ দিয়েও তেল লাগাতে পারেন। এতে তেলের অপচয় কমবে।
তেল ভালোভাবে গরম করুন:
ভাজার আগে নিশ্চিত করুন তেল যথেষ্ট গরম হয়েছে। কারণ ঠাণ্ডা তেলে উপকরণ দিলে তা বেশি তেল শোষণ করে নেয়।
অতিরিক্ত তেল সরানোর উপায়:
রান্না শেষে যদি ঝোলে তেল ভেসে ওঠে, তবে কয়েকটি বরফের টুকরো দিন। বরফের গায়ে তেল জমে গেলে তা তুলে ফেলুন। এতে ঝোলের তেল অনেকটাই কমে যাবে।
পরোটা ভাজার কৌশল:
পরোটা ভাজার আগে হালকা করে সেঁকে নিন, তারপর অল্প তেলে ভাজুন। এতে একদম মচমচে হবে
সবজি আগে ভাপে সেদ্ধ করুন:
সবজি তেলে ভাজার বদলে আগে ভাপে সেদ্ধ করে নিন, তারপর রান্না করুন। এতে তেলের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।
তেলের বদলে পানি ব্যবহার করুন:
রান্নার সময় তেল কম মনে হলে তেলের বদলে সামান্য পানি ছিটিয়ে দিন। এতে উপকরণ সেদ্ধ হবে, স্বাদও প্রায় একই থাকবে।
বিকল্প রান্নার পদ্ধতি বেছে নিন:
ডিপ ফ্রাইয়ের পরিবর্তে ভাপানো, রোস্টিং, বেকিং বা এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করার অভ্যাস করুন।
নন-স্টিক প্যান ব্যবহার করুন:
নন-স্টিক প্যানে রান্না করলে অল্প তেলেই চমৎকার ফলাফল পাওয়া যায়।
তেল ব্যবহারের সীমা ঠিক রাখুন:
পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, প্রতি মাসে মাথাপিছু আধা লিটারের কম তেল ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। এই ছোট পরিবর্তনেই আপনার পরিবারের সার্বিক স্বাস্থ্য অনেক উন্নত হবে।
