নির্বাচন ঘিরে প্রশাসনে টানটান প্রস্তুতি

: বালাগঞ্জের আওয়াজ
প্রকাশ: ২০২৫-১১-১৬
ছবি সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্য সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থী তালিকা প্রকাশ শুরু করেছে এবং নির্বাচন কমিশনসহ কেন্দ্রীয় ও মাঠ প্রশাসন প্রস্তুতি নিচ্ছে। নির্বাচনে মাঠ প্রশাসনের প্রধান ভূমিকা থাকায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও বিভাগীয় কমিশনার নিয়োগ কার্যক্রম প্রায় শেষ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। তবে ইউএনওদের আপাতত প্রত্যাহার করা হচ্ছে না।

৮ ও ৯ নভেম্বর ২৯ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দেওয়া হলেও সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বরগুনার ডিসি সন্দ্বীপ কুমার সিংহ ও মেহেরপুরের ডিসি মিজ লুৎফুন নাহারের নিয়োগ বাতিল করা হয়। কয়েক জেলার ডিসিকে নিয়োগের কয়েক দিনের মধ্যেই বদলিও করা হয়েছে। ১৩ নভেম্বর আরও ২৩ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দেওয়া হয়। নির্বাচনকে সামনে রেখে একই দিনে চার বিভাগে নতুন বিভাগীয় কমিশনারও নিয়োগ পায়।

২০ ডিসিকে মাঠ প্রশাসন থেকে প্রত্যাহার করে মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। আগের সরকারের সময় দায়িত্ব পালনকারী কয়েকজন ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো ও ওএসডি করার কারণে নতুন ডিসিদের মধ্যেও সতর্কতা ও ভীতি কাজ করছে।

প্রশাসন বিশ্লেষক এ কে এম আব্দুল আউয়াল মজুমদার বলেন, নির্বাচনে ডিসি-ইউএনওদের সততা ও নিষ্ঠাই সুষ্ঠু ভোট আয়োজনের মূল শর্ত। প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসার নিয়োগে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বাড়তি নজর দেওয়ার তাগিদ দেন তিনি।

এদিকে নির্বাচনে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে পুলিশেও বড় রদবদল আসছে। এসপি ও ওসি পদে লটারির মাধ্যমে পদায়নের পরিকল্পনা থাকলেও আপত্তির কারণে তা অনিশ্চিত। ৬৪ জেলার এসপিদের কর্মদক্ষতা যাচাই চলছে, যোগ্যরা দায়িত্বে থাকবেন এবং অনেকে প্রত্যাহার হবেন বলে জানা গেছে।

error: Content is protected !!