সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীসহ প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি হঠাৎ করে দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে অল্প সময়ের মধ্যেই নদীগুলোর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আসাম ও মেঘালয় রাজ্যে ৩ জুলাই থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত টানা ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। মেঘালয় অঞ্চলে ইতোমধ্যে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। এই বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি ঢলের সৃষ্টি হয়ে তা সরাসরি সুরমা ও কুশিয়ারা নদীতে প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে সিলেট জেলার জকিগঞ্জ, কানাইঘাট, কোম্পানিগঞ্জ, জৈন্তাপুর, ফেঞ্চুগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও বিয়ানীবাজার উপজেলায় আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। জাফলং ও কোম্পানিগঞ্জ এলাকা দিয়ে যেকোনো সময় প্রবল ঢল নামতে পারে।
যদিও সিলেটের অনেক হাওর এখনও খালি রয়েছে, যা পানির চাপ কিছুটা কমিয়ে ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করতে পারে, তবুও দুর্বল ও জীর্ণ নদীর বাঁধ ভেঙে গেলে বিশেষ করে জকিগঞ্জ উপজেলার অন্তত ১০০টিরও বেশি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
