ছবি; সংগৃহীত
সিলেটসহ পুরো বিভাগজুড়ে চলমান তীব্র গরমে বিদ্যুৎ সংকট জনদুর্ভোগ বাড়িয়ে তুলেছে। টানা ১০ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে কুমারগাঁও ১৩২/৩৩ কেভি পাওয়ার স্টেশন, যার ফলে ব্যাপক লোডশেডিং দেখা দিয়েছে নগর ও গ্রামীণ এলাকায়।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) সূত্রে জানা গেছে, কুমারগাঁও পাওয়ার স্টেশনের ২৫ মেগাওয়াটের একটি ট্রান্সফরমার অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়ায় কেন্দ্রটি বন্ধ রাখতে হয়েছে। যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হওয়ায় দ্রুত সংস্কারের সম্ভাবনা ক্ষীণ। বর্তমানে সিলেট গ্রিড থেকে সীমিত পরিমাণে বিদ্যুৎ পাচ্ছে, যার কারণে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
সিলেট বিভাগের বিদ্যুৎ চাহিদা দৈনিক ৭০০ মেগাওয়াট হলেও বর্তমানে সরবরাহ হচ্ছে মাত্র ৫০০ মেগাওয়াট। নগরীতে পাঁচটি ডিভিশনের আওতায় ১৩টি সাবস্টেশন থাকলেও তাপপ্রবাহজনিত কারণে ফিউজ ও তার ছেঁড়ার মতো সমস্যা বেড়েছে। এতে লোডশেডিংয়ের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ভোল্টেজও অনেক নিচে নেমে গেছে।
নগরবাসীরা জানান, দিনে ৬-৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। স্কুল, হাসপাতাল, অফিস ও ব্যবসা-বাণিজ্য কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
বিউবো সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী শামস-ই আরেফিন বলেন, ‘ঢাকা থেকেও প্রায়ই হঠাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়, ফলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে।’
প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদির জানান, ‘কুমারগাঁও কেন্দ্র চালু হলে লোডশেডিং কমবে এবং ভোল্টেজ সমস্যারও সমাধান হবে, তবে এখনই সময় নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।’
