জুলাই আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে ও তাঁদের পরিবারকে সম্মান জানাতে সিলেট জেলা বিএনপির উদ্যোগে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সোমবার বিকেলে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত এই সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বক্তব্যে তিনি বলেন, “নির্বাচিত সরকারের চেয়ে শক্তিশালী কিছু হতে পারে না। তাই এখন সময় মানুষের কাছে যাওয়ার, তারেক রহমানের ৩১ দফা তুলে ধরার। জনগণের ভালোবাসা অর্জনের মাধ্যমেই বিএনপিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আনতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন যত দেরি হবে, দেশ তত পেছাবে। এখন আর কেবল কথার রাজনীতি নয়, সময় এসেছে কাজের।”
ফখরুল বলেন, “শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট শাসনের পতনের পেছনে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম রয়েছে, যার নেতৃত্বে ছিলেন তারেক রহমান। শহীদ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব। তাদের পুনর্বাসন, সন্তানের শিক্ষার নিশ্চয়তা ও ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।”
সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তৃতা করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, তাহসিনা রুশদীর লুনা, ড. এনামুল হক চৌধুরী, এম. এ. মালিক, ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউস, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন ও মিফতাহ্ সিদ্দিকী, সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, আবুল কাহের চৌধুরী শামীম ও মিজানুর রহমান চৌধুরী, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, বালাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুহাম্মাদ গোলাম রব্বানীসহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন জেলা উলামা দলের সদস্য সচিব হাফেজ কামাল উদ্দিন।
