ছবি : সংগৃহীত
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও শেনজেন অঞ্চলের বাইরে থাকা ৬২টি দেশের নাগরিকদের জন্য ২০২৬ সালেও জার্মানিতে স্বল্পমেয়াদি ভিসামুক্ত প্রবেশের সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে। জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এসব দেশের নাগরিকরা নির্দিষ্ট শর্তে ভিসা ছাড়াই দেশটিতে ভ্রমণ করতে পারবেন।
নিয়ম অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকরা ১৮০ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত জার্মানিতে অবস্থান করতে পারবেন। এ সময় তারা পর্যটন, ব্যবসায়িক বৈঠক, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ বা অন্যান্য স্বল্পমেয়াদি ব্যক্তিগত কাজে দেশটিতে যেতে পারবেন। তবে এই ভিসামুক্ত সুবিধা কোনোভাবেই চাকরি বা কর্মসংস্থানের অনুমতি দেয় না।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ এই তালিকায় নেই। ফলে বাংলাদেশি নাগরিকদের জার্মানি ভ্রমণের ক্ষেত্রে আগের মতোই প্রয়োজনীয় ভিসা সংগ্রহ করতে হবে।
জার্মানির ভিসামুক্ত সুবিধাপ্রাপ্ত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বিশ্বের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক অংশীদার—যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, নিউজিল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর এবং ইসরায়েল।
এছাড়া তালিকায় রয়েছে আলবেনিয়া, অ্যান্ডোরা, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা, আর্জেন্টিনা, বাহামাস, বার্বাডোস, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ব্রাজিল, ব্রুনাই, চিলি, কলম্বিয়া, কোস্টারিকা, ডোমিনিকা, এল সালভাদর, জর্জিয়া, গ্রেনাডা, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস, হংকং, কিরিবাতি, কসোভো, ম্যাকাও, মালয়েশিয়া, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, মরিশাস, মেক্সিকো, মাইক্রোনেশিয়া, মলদোভা, মোনাকো, মন্টিনিগ্রো, উত্তর ম্যাসিডোনিয়া, নিকারাগুয়া, পালাউ, পানামা, প্যারাগুয়ে, পেরু, সেন্ট কিটস ও নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস, সামোয়া, সান মারিনো, সার্বিয়া, সেশেলস, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, তাইওয়ান, তিমোর-লেস্তে, টোঙ্গা, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো, টুভালু, ইউক্রেন, উরুগুয়ে, ভানুয়াতু, ভ্যাটিকান সিটি এবং ভেনেজুয়েলা।
জার্মান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভিসামুক্ত প্রবেশের এই সুবিধা শুধুমাত্র স্বল্পমেয়াদি সফরের জন্য প্রযোজ্য। দীর্ঘমেয়াদি বসবাস, পড়াশোনা বা কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের নাগরিকদের প্রয়োজনীয় ভিসা ও অনুমতি গ্রহণ করতে হবে।
